অর্গানিক কেশবতী কম্ব ০৩ (250 Gram)
অর্গানিক কেশবতী কম্ব ০৩ (250 Gram)
🌿একটি কম্বেই চুলের সম্পূর্ণ যত্ন! রাসায়নিক মুক্ত ৫টি ভেষজ উপাদানে ভরপুর — চুলকে দিন ঘন, মজবুত ও ঝলমলে রূপ।🌿
ভেষজ উপাদানসমূহঃ
🌿কেশরাজঃ চুলের গোড়া মজবুত করে, গতি আনে চুলের বৃদ্ধিতে এবং কমায় চুল পড়া।
🌺জবা ফুলঃ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণে চুল ও ত্বক উজ্জ্বল করে, ভঙ্গুরতা কমায় ও নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
🌳বহেড়াঃ চুলের রুক্ষতা কমায়, প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা আনে।
🌿নিমঃ খুশকি ও সংক্রমণ রোধে সহায়ক, ত্বকের জন্যও উপকারী।
🍈আমলকীঃ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর, চুল পড়া রোধ ও ত্বক উজ্জ্বল করে।
380৳ Original price was: 380৳ .350৳ Current price is: 350৳ .
Description
অর্গানিক কেশবতী কম্ব ০৩ (250 Gram): চুলের সম্পূর্ণ যত্নে ৫টি শক্তিশালী ভেষজ
পণ্যের ধরণ: প্রাকৃতিক ও রাসায়নিক মুক্ত ভেষজ কম্ব
পরিমাণ: ২৫০ গ্রাম (৫০ গ্রাম করে ৫টি উপাদান)
ভূমিকা
চুলের স্বাস্থ্য রক্ষায় ভেষজ উপাদানের ব্যবহার শতাব্দী প্রাচীন এবং অত্যন্ত কার্যকর। বর্তমানে বাজারের কেমিক্যালযুক্ত পণ্যের ভিড়ে চুলের রুক্ষতা এবং চুল পড়া রোধ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। আপনার চুলের হারানো জৌলুস ফিরিয়ে আনতে এবং চুলের মূলে কাজ করতে অর্গানিক কেশবতী কম্ব ০৩ (250 Gram) একটি অসাধারণ প্রাকৃতিক সমাধান। এতে রয়েছে পাঁচটি বাছাইকৃত ভেষজ উপাদানের সমন্বয়, যা চুলকে করে তুলবে ঘন, মজবুত এবং ঝলমলে।
উপাদানসমূহের বিস্তারিত গুণাগুণ:
এই কম্বোটিতে থাকা পাঁচটি উপাদান আপনার চুলের জন্য নিচের সুবিধাগুলো প্রদান করে:
-
কেশরাজ: এটি চুলের গোড়া মজবুত করে এবং চুলের বৃদ্ধিতে দ্রুত গতি আনে।
-
জবা ফুল: এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চুলের ভঙ্গুরতা কমায় এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
-
বহেড়া: চুলের রুক্ষ ভাব দূর করে প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে।
-
নিম: খুশকি এবং স্ক্যাল্পের যেকোনো সংক্রমণ রোধে এটি অত্যন্ত সহায়ক।
-
আমলকী: এটি ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর, যা চুল পড়া রোধ করে এবং চুলকে করে ঝলমলে।
ব্যাবহারবিধি (How to Use):
সেরা ফলাফলের জন্য আপনি এটি নিচের নিয়মে ব্যবহার করতে পারেন:
১. পরিমাণমতো ভেষজ উপাদানগুলো টক দই অথবা নারকেল তেলের সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে একটি ঘন পেস্ট তৈরি করুন। ২. এই পেস্টটি চুলের গোড়ায় এবং পুরো চুলে সমানভাবে লাগান। ৩. ৩০-৪০ মিনিট রাখার পর সাধারণ পানি দিয়ে চুল ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। ৪. সেরা ফলাফলের জন্য সপ্তাহে ২-৩ বার ব্যবহার করা বাঞ্ছনীয়।
