Cap Reumax
Cap Reumax
Genric: (সূত্রঃ হাব্বে সুরঞ্জান)
রিউম্যাক্স সন্ধি প্রদাহ ও বাত-ব্যথা নাশক ।
বর্ণনা: রিউম্যাক্স ক্যাপসুল অত্যন্ত কার্যকরী উপাদান এ্যালো বারবাডেনসিস, টারমিনালিয়া চিবুলা, কলসিকাম লিউটিয়াম, সোলানাম নিগ্রাম এর সমন্বয়ে তৈরী সন্ধি প্রদাহ ও বাত নাশক সমাধান। বলা হয় যে এ্যালো বারবাডেনসিস এ ৭৫টির ও বেশী জৈবিকভাবে সক্রিয় উপাদান রয়েছে যা প্রদাহ নাশক, এন্টি অক্সিডেন্ট, রোগ প্রতিরোধী ক্যান্সার প্রতিরোধী, হিলিং ও অকাল বার্ধক্যরোধী কার্যকারীতা সম্পন্ন। টারমিনালিয়া চিবুলা এর শুকনো ফল ইউনানীতে উদ্দীপনা বিরোধী, কার্ডিওটনিক, মূত্রবর্ধক ও রেচক হিসেবে ব্যবহৃত হয় যা ব্যথা কমাতে ভূমিকা রাখে। কলসিকাম লিউটিয়াম এ থাকা কলসিলিন নামক উপাদান সন্ধি সমূহে ইউরিক এসিডের সংঘবদ্ধতার কারনে তৈরী হওয়া প্রদাহ কে বিনাশ করে যা ব্যথা কমিয়ে আরাম অনুভূতি দেয়। কলসিলিন সাদা রক্ত কণিকার কার্যকারীতাকে প্রভাবিত করে ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। কলসিলিন লিউটিয়ামে এ বিদ্যমান কলসিলিন নামক এলকালয়েড দেহভ্যন্তরে বিভাজিত হয়ে ট্যানিক গ্যালিক, স্টার্চ, সুগার ও গামে পরিণত হয়ে দেহে ল্যাকটিক এসিড তৈরী হওয়া প্রতিরোধ করে বাত সৃষ্টিকারক ইউরিক এসিড প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে দেয় বলে ব্যথা নিরাময় হয়। রিউম্যাক্সেন এ রয়েছে বিভিন্ন রকমের খনিজ এবং ভিটামিন এ, বি১, বি২, বি৬, বি১২, সি ও ই যা বাতব্যথা দুর করে সন্ধিকে মজবুত করে।
600৳ Original price was: 600৳ .550৳ Current price is: 550৳ .
Description
Cap Reumax
Cap Reumax
Genric: হাব্বে সুরঞ্জান
Cap Reumax
রিউম্যাক্স
সন্ধি প্রদাহ ও বাত-ব্যথা নাশক ।
বর্ণনা: রিউম্যাক্স ক্যাপসুল অত্যন্ত কার্যকরী উপাদান এ্যালো বারবাডেনসিস, টারমিনালিয়া চিবুলা, কলসিকাম লিউটিয়াম, সোলানাম নিগ্রাম এর সমন্বয়ে তৈরী সন্ধি প্রদাহ ও বাত নাশক সমাধান। বলা হয় যে এ্যালো বারবাডেনসিস এ ৭৫টির ও বেশী জৈবিকভাবে সক্রিয় উপাদান রয়েছে যা প্রদাহ নাশক, এন্টি অক্সিডেন্ট, রোগ প্রতিরোধী ক্যান্সার প্রতিরোধী, হিলিং ও অকাল বার্ধক্যরোধী কার্যকারীতা সম্পন্ন। টারমিনালিয়া চিবুলা এর শুকনো ফল ইউনানীতে উদ্দীপনা বিরোধী, কার্ডিওটনিক, মূত্রবর্ধক ও রেচক হিসেবে ব্যবহৃত হয় যা ব্যথা কমাতে ভূমিকা রাখে। কলসিকাম লিউটিয়াম এ থাকা কলসিলিন নামক উপাদান সন্ধি সমূহে ইউরিক এসিডের সংঘবদ্ধতার কারনে তৈরী হওয়া প্রদাহ কে বিনাশ করে যা ব্যথা কমিয়ে আরাম অনুভূতি দেয়। কলসিলিন সাদা রক্ত কণিকার কার্যকারীতাকে প্রভাবিত করে ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। কলসিলিন লিউটিয়ামে এ বিদ্যমান কলসিলিন নামক এলকালয়েড দেহভ্যন্তরে বিভাজিত হয়ে ট্যানিক গ্যালিক, স্টার্চ, সুগার ও গামে পরিণত হয়ে দেহে ল্যাকটিক এসিড তৈরী হওয়া প্রতিরোধ করে বাত সৃষ্টিকারক ইউরিক এসিড প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে দেয় বলে ব্যথা নিরাময় হয়। রিউম্যাক্সেন এ রয়েছে বিভিন্ন রকমের খনিজ এবং ভিটামিন এ, বি১, বি২, বি৬, বি১২, সি ও ই যা বাতব্যথা দুর করে সন্ধিকে মজবুত করে।
উপাদান : প্রতি ৫০০ মিগ্রা. ক্যাপসুলে এ আছে
এ্যালো বারবাডেনসিস ১৬৭ মিগ্রা
টারমিনালিয়া চিবুলা ১৬৬ মিগ্রা কলসিকাম লিউটিয়াম ১৬৬ মিগ্রা
সোলানাম নিগ্রাম প্রয়োজনমত।
এবং অন্যান্য উপাদান (সূত্রঃ হাব্বে সুরঞ্জান) ইউনানী ঔষধ
রোগ নির্দেশনঃ
- হাঁটুর তীব্র ব্যথা: হাঁটুর কার্টিলেজ ক্ষয় বা তরল কমে যাওয়ার কারণে হাঁটতে গেলে যে ব্যথা হয়।
- গেঁটেবাত (Gout): ইউরিক এসিড বৃদ্ধির ফলে হাত বা পায়ের আঙুলের জোড়ায় তীব্র যন্ত্রণা।
- কোমর ও পিঠের ব্যথা (Lumbago): দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করা, ভারী জিনিস তোলা বা মেরুদণ্ডের নিচের অংশের ব্যথা।
- হাড়ের সংযোগস্থলের ব্যথা: শরীরের যেকোনো জয়েন্ট বা জোড়ায় যন্ত্রণাদায়ক ব্যথা ও প্রদাহ।
- অস্টিওআর্থ্রাইটিস (Osteoarthritis): বয়সজনিত হাড় ক্ষয় এবং জয়েন্ট শুকিয়ে যাওয়ার ব্যথা।
- রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিস: ইমিউন জটিলতার কারণে জয়েন্ট ফুলে যাওয়া ও লাল হয়ে থাকার ব্যথা।
- ঘাড় ও কাঁধের ব্যথা: ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া, স্পন্ডিলাইটিস বা কাঁধের আড়ষ্ট ব্যথা (Frozen Shoulder)।
- রগে টান পড়া ও পেশির খিঁচুনি: মাংসপেশি খিমচে ধরা বা টান লাগার তীব্র ব্যথা।
- হাত ও পায়ের আঙুলের ব্যথা: আঙুলের সংযোগস্থল ফুলে যাওয়া এবং শক্ত হয়ে থাকার যাতনা।
- টেন্ডনাইটিস (Tendonitis): পেশি ও হাড়ের সংযোগকারী রগ (Tendon) বা লিগামেন্টের প্রদাহজনিত ব্যথা।
- স্নায়ু বা নার্ভের ব্যথা: ভিটামিনের অভাবে নার্ভ ড্যামেজ হয়ে যে রিনরিনে ব্যথা হয়।
- হাত-পা ঝিমঝিম ও অবশ ভাব: স্নায়বিক দুর্বলতার কারণে হাত-পা কামড়ানো ও অবশ মনে হওয়া।
- পায়ের গোড়ালি ও তলার ব্যথা: সকালে ঘুম থেকে উঠে মাটিতে পা ফেলতে না পারার যন্ত্রণা।
- কনুই ও কবজির ব্যথা: জিনিসপত্র ধরতে বা হাত মোচড়াতে গেলে কবজি ও কনুইয়ের ব্যথা।
- বার্ধক্যজনিত জয়েন্টের আড়ষ্টতা: বয়স বাড়ার সাথে সাথে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর শরীর শক্ত হয়ে থাকার সমস্যা।
🩺 যেসকল সমস্যায় কার্যকরী:
- 🦴 হাড়ের ক্ষয় ও দুর্বলতা (Osteoporosis)।
- 🦵 গেঁটেবাত ও ইউরিক এসিডের ব্যথা (Gout)।
- 💥 কোমর, হাঁটু, ঘাড় ও জয়েন্টের তীব্র ব্যথা।
- ⚡ রগে টান পড়া ও হাত-পা ঝিমঝিম করার সমস্যা।
👥 কারা কারা এটি সেবন করতে পারবেন?
- ✔️ বয়স্ক ব্যক্তিরা: যাদের বয়স বাড়ার সাথে সাথে হাঁটু, কোমর ও জয়েন্টে তীব্র ব্যথা হচ্ছে এবং কার্টিলেজ ক্ষয় পাচ্ছে।
- ✔️ ইউরিক এসিডের রোগীরা: যাদের রক্তে ইউরিক এসিডের মাত্রা বেশি এবং পা বা হাত ফুলে তীব্র যন্ত্রণা হয়।
- ✔️ স্নায়ুর সমস্যায় ভোগা রোগীরা: যাদের হাত-পা ঝিমঝিম করে, অবশ হয়ে যায় বা নার্ভের দূর্বলতার কারণে শরীর কামড়ায়।
- ✔️ দীর্ঘদিনের পুরনো ব্যথার রোগীরা: যারা বহুদিন ধরে কোমর, হাঁটু, ঘাড় বা কটিবাতে ভুগছেন।
- ✔️ ব্যথামুক্ত স্বাভাবিক জীবনপ্রত্যাশী পুরুষ ও নারী: যারা সাধারণ পেইনকিলারের ক্ষতিকর প্রভাব ছাড়া প্রাকৃতিকভাবে সুস্থ হতে চান।
💎 কেন Cap Reumax সেরা সমাধান?
- 🚫 গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাওয়ার কোনো ঝামেলা নেই: সাধারণ ব্যথার ওষুধ পেটে তীব্র এসিডিটি তৈরি করে। কিন্তু Reumax-এ রয়েছে প্রাকৃতিক হরিতকী ও অ্যালোভেরা, যা পেট ঠান্ডা রাখে এবং হজমশক্তি বাড়ায়। এর নিজস্ব গ্যাস্ট্রিক প্রতিরোধক ক্ষমতার কারণে ব্যথার ওষুধের সাথে আলাদা কোনো গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজনই পড়ে না।
- 🩸 ইউরিক এসিড নিষ্কাশন: জয়েন্টে জমে থাকা ইউরিক এসিডের পাথর বা ক্রিস্টালগুলোকে গলিয়ে সরাসরি প্রস্রাবের মাধ্যমে বাইরে বের করে দেয়। ফলে গেঁটেবাত ও অস্থিসন্ধির ব্যথা ভেতর থেকে স্থায়ীভাবে সেরে যায়।
- 🦴 ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন D-এর পাওয়ার হাউস: বয়স বাড়ার সাথে সাথে হাড়ের ঘনত্ব কমে যায়। Reumax-এ থাকা ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন D হাড়কে মজবুত করে এবং গ্লুকোসামিন জয়েন্টের তরল পুনরায় তৈরি করে হাঁটাচলার জড়তা দূর করে।
- ⚡ ভিটামিন B1, B2 ও B12 দিয়ে স্নায়ুর সুরক্ষা: পেশিতে টান লাগা, রগ খিমচে ধরা বা হাত-পা ঝিমঝিম করার মতো যন্ত্রণাদায়ক সমস্যা দ্রুত দূর করতে এতে রয়েছে স্নায়ুর সুরক্ষাকারী প্রয়োজনীয় ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স।
- 🛡️ শতভাগ নিরাপদ ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত: এতে কোনো ক্ষতিকর স্টেরয়েড বা কেমিক্যাল নেই।
💊 সেবনবিধি (Dosage & Administration)
- ➡️ সাধারণ মাত্রা: প্রতিদিন ১ থেকে ২ টি ক্যাপসুল দৈনিক ২ বার (সকাল ও রাতে)।
- 🍽️ খাওয়ার নিয়ম: অবশ্যই খাবার খাওয়ার ২০-৩০ মিনিট পর পানি দিয়ে সেবন করতে হবে।
- 🩺 বিশেষ নির্দেশনা: রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেব্য।
⚠️ সতর্কতা ও সংরক্ষণ (Precautions & Storage)
- এটি একটি নিরাপদ ইউনানী ওষুধ।
- নির্ধারিত মাত্রায় সেবনে এর কোনো ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।
- আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে, শুষ্ক ও ঠান্ডা স্থানে (৩০°C এর নিচে) সংরক্ষণ করুন।
- ওষুধটি অবশ্যই শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
- গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া সেবন থেকে বিরত থাকুন।
📦 প্যাকেজিং ও অন্যান্য তথ্য
- প্যাক সাইজ: প্রতি বক্সে রয়েছে ৩০টি ক্যাপসুল (উন্নতমানের অ্যালু-অ্যালু ব্লিস্টার প্যাক)।
- সংরক্ষণ: আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে, শুষ্ক ও ঠান্ডা স্থানে (৩০°C এর নিচে) সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
- প্রস্তুতকারক: এমপেক্স ল্যাবরেটরীজ লিঃ (ইউনানী ডিভিশন), মুন্সীগঞ্জ, বাংলাদেশ।
💡 সুস্থ জীবনের জন্য বিশেষ টিপস :
১. প্রতিদিন অন্তত ৩ থেকে ৪ লিটার বিশুদ্ধ পানি পান করার অভ্যাস করুন। এটি শরীর থেকে টক্সিন এবং ক্ষতিকর ইউরিক এসিড বের করে দিয়ে কিডনি ও জয়েন্ট সুস্থ রাখে।
২. সুষম ও পুষ্টিকর খাবার: প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় প্রচুর তাজা শাকসবজি, ফলমূল এবং ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার রাখুন। অতিরিক্ত তেল-চর্বি, ফাস্টফুড এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন।
৩. শরীর ও জয়েন্ট সচল রাখতে প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটাহাঁটি, যোগব্যায়াম বা ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ করুন। এতে রক্ত চলাচল বাড়ে এবং হাড় মজবুত হয়।
৪. প্রতিদিন সকালের হালকা রোদে ১৫ থেকে ২০ মিনিট কাটানোর চেষ্টা করুন। এটি প্রাকৃতিকভাবে শরীরে ভিটামিন-ডি তৈরি করে, যা হাড়ের ক্ষয় রোধে অত্যন্ত জরুরি।
৫. শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি দূর করতে এবং কোষের মেরামতের জন্য প্রতিদিন রাতে নিরবচ্ছিন্ন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানো অপরিহার্য।
৬. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন: শরীরের অতিরিক্ত ওজন মেরুদণ্ড, হাঁটু এবং জয়েন্টের ওপর মারাত্মক চাপ ফেলে। তাই উচ্চতা অনুযায়ী নিজের আদর্শ ওজন (BMI) ধরে রাখার চেষ্টা করুন।
৭. অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা বা মানসিক চাপ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। চাপমুক্ত থাকতে নিয়মিত মেডিটেশন বা শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করতে পারেন।
৮. খাবারে অতিরিক্ত চিনি এবং কাঁচা লবণ খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করুন। এগুলো উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং জয়েন্টে প্রদাহ (Inflammation) বাড়াতে সাহায্য করে।
৯. সঠিক অঙ্গভঙ্গি (Posture) বজায় রাখুন: দীর্ঘক্ষণ একটানা বসে কাজ করবেন না। বসার সময় মেরুদণ্ড সোজা রাখুন এবং প্রতি ১ ঘণ্টা পর পর অন্তত ৫ মিনিট উঠে হাঁটাচলা করে নিন।
১০. নিয়মিত চেকআপ: বাহ্যিকভাবে সুস্থ মনে হলেও বছরে অন্তত একবার চিকিৎসকের পরামর্শে রুটিন চেকআপ করান। এতে শরীরের ভেতরের যেকোনো সমস্যা প্রাথমিক পর্যায়েই ধরা পড়ে।
🛒 ব্যথাকে বিদায় জানান প্রাকৃতিকভাবে!
সাময়িক আরামের জন্য ক্ষতিকর পেইনকিলার খেয়ে শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্ষতি করবেন না। ব্যথার মূল কারণ ইউরিক এসিড দূর করে সচল জীবন পেতে আজই সংগ্রহ করুন Cap Reumax !
সাধারণ জিজ্ঞাসা (Frequently Asked Questions – FAQ)
১. Cap Reumax মূলত কী কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: Reumax Capsule মূলত যেকোনো ধরনের বাত-ব্যথা, কোমর ব্যথা, হাঁটু ব্যথা, গেঁটেবাত (Gout), হাড়ের ক্ষয় এবং স্নায়বিক যন্ত্রণা দূর করতে ব্যবহৃত একটি ভেষজ ইউনানী ওষুধ।
২. এটি খেলে কি গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাওয়া লাগবে?
উত্তর: একদম না! Cap Reumax এ রয়েছে হরিতকী ও অ্যালোভেরার প্রাকৃতির উপাদান, যা পাকস্থলীকে ঠান্ডা রাখে এবং প্রাকৃতিকভাবে গ্যাস্ট্রিক প্রতিরোধ করে। তাই এটি সেবনে কোনো আলাদা গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ লাগবে না।
৩. এটি কীভাবে ইউরিক এসিডের ব্যথায় কাজ করে?
উত্তর: এতে থাকা ‘কলচিকাম লিউটিয়াম’ (সুরঞ্জন) রক্তের ইউরিক এসিডের পাথর বা জমে থাকা ক্রিস্টালগুলোকে গলিয়ে দেয় এবং তা প্রাকৃতিকভাবে প্রস্রাবের সাথে শরীর থেকে বের করে দেয়।
৪. এতে কি ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন D আছে?
উত্তর: হ্যাঁ, এতে প্রাকৃতিকভাবে হাড় মজবুতকারী ক্যালসিয়াম, ভিটামিন D, গ্লুকোসামিন এবং ভিটামিন B-Complex রয়েছে, যা ক্ষয়ে যাওয়া হাড় পুনর্গঠন ও জয়েন্টকে শক্ত করতে সাহায্য করে।
৫. এটি সেবনে কোনো ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (Side Effect) আছে কি?
উত্তর: না, এটি বাংলাদেশ জাতীয় ইউনানী ফর্মুলারী (B.N.U.F) অনুযায়ী ১০০% প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে প্রস্তুত। নির্ধারিত মাত্রায় সেবন করলে এর কোনো ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।
৬. দিনে কয়টি ক্যাপসুল কীভাবে খেতে হবে?
উত্তর: প্রতিদিন ১ থেকে ২ টি ক্যাপসুল দিনে ২ বার (সকাল ও রাতে) খাবার খাওয়ার ২০–৩০ মিনিট পর এক গ্লাস পানি দিয়ে সেবন করতে হয়।
৭. এটি কতদিন নিয়মিত খেতে হবে?
উত্তর: ১–২ সপ্তাহের মধ্যে ব্যথামুক্ত অনুভব করলেও বাতের মূল কারণ (ইউরিক এসিড) দূর করে স্থায়ী সুফলের জন্য অন্তত ২ মাস (৬০ দিন) নিয়মিত সেবন করা বাঞ্ছনীয়।
৮. দীর্ঘদিন খেলে কি কিডনি বা লিভারের কোনো ক্ষতি হতে পারে?
উত্তর: না, এতে কোনো কেমিক্যাল, পেইনকিলার বা ক্ষতিকর স্টেরয়েড (Steroids) নেই। ভেষজ উপাদানে তৈরি হওয়ায় এটি কিডনি ও লিভারের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ।
৯. রগে টান পড়া বা হাত-পা ঝিমঝিম করার সমস্যায় কি এটি কাজ করবে?
উত্তর: হ্যাঁ, এতে বিদ্যমান ভিটামিন B1, B2 ও B12 সরাসরি স্নায়ুর ওপর কাজ করে হাত-পা ঝিমঝিম ভাব, অবশ ভাব এবং রগে টান পড়ার যন্ত্রণা দ্রুত দূর করে।
১০. বয়স্ক ব্যক্তিরা কি এটি নিরাপদে সেবন করতে পারবেন?
উত্তর: অবশ্যই! বয়সজনিত কারণে যাদের হাঁটু, কোমর ও জয়েন্টে তীব্র ব্যথা হচ্ছে এবং তরল বা কার্টিলেজ ক্ষয় পাচ্ছে, তাদের জন্য এটি অত্যন্ত নিরাপদ ও কার্যকরী।
১১. ডায়াবেটিসের রোগীরা কি Reumax Capsule খেতে পারবেন?
উত্তর: হ্যাঁ, এটি কোনো সুগার-কোটেড ওষুধ নয় এবং প্রাকৃতিকভাবে তৈরি, তাই ডায়াবেটিস রোগীরাও নিশ্চিন্তে খেতে পারবেন।
১২. ওষুধ খাওয়ার সময় কি কোনো খাবার নিষেধ আছে?
উত্তর: দ্রুত সুফলের জন্য অতিরিক্ত রেড মিট (গরু/খাসির মাংস), কোল্ড ড্রিন্কস ও পুঁইশাকের মতো ইউরিক এসিড বৃদ্ধিকারী খাবার কিছুটা এড়িয়ে চলা ভালো।
১৩. ক্যাপসুল সেবনের পাশাপাশি কি প্রচুর পানি খেতে হবে?
উত্তর: হ্যাঁ, দিনে অন্তত ৩–৪ লিটার বিশুদ্ধ পানি পান করা উচিত। এতে ওষুধটি জয়েন্টে জমে থাকা ইউরিক এসিড দ্রুত প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে দিতে পারে।
১৪. এটি কি কোনো রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করা যাবে?
উত্তর: অবশ্যই। আপনি প্রয়োজনে আপনার রেজিস্টার্ড ইউনানী বা আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট মাত্রায় সেবন করতে পারেন।
১৫. ওষুধটি কীভাবে সংরক্ষণ করতে হবে?
উত্তর: আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে, ৩০°C তাপমাত্রার নিচে শুষ্ক ও ঠান্ডা স্থানে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে সংরক্ষণ করুন
